[Short QNA] ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি কাকে বলে

5/5 - (6 votes)

আরও পড়ুন:—

Question:ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি কাকে বলে?
(A)তুরস্ক
(B)গিনিকোস্ট
(C)বেলজিয়াম
(D)নেদারল্যান্ড

উত্তরঃ (A) তুরস্ক


প্রশ্নঃ— ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি কাকে বলে?

তুরস্ক হল ইউরোপ এবং এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি ইতিহাস এবং বৈচিত্র্যময় দেশ । এটি হিট্টাইটস, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য এবং অটোমান সাম্রাজ্য সহ ইতিহাস জুড়ে অনেক সভ্যতার আবাসস্থল। যা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাম্রাজ্যগুলির এখানেই অবস্থান ছিলো এবং ৬০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলেছিল। ১৯২৩ সাল থেকে তুরস্কও একটি প্রজাতন্ত্র ছিল এবং তখন থেকে এটি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে।

অর্থনীতির দিক থেকে, তুরস্ক ১৯৯৯ সাল থেকে G-20 গোষ্ঠীর সদস্য এবং একটি উদীয়মান বাজার অর্থনীতি হিসাবে বিবেচিত হয়। একটি শক্তিশালী উৎপাদন খাত, একটি ক্রমবর্ধমান পরিষেবা খাত এবং একটি বৃহৎ কৃষি খাত সহ দেশটির একটি বৈচিত্র্যময় এবং গতিশীল অর্থনীতি রয়েছে। তুরস্ক টেক্সটাইল, অটোমোবাইল এবং রেফ্রিজারেটর এবং ওয়াশিং মেশিনের মতো সাদা পণ্যগুলির একটি প্রধান উৎপাদক ৷

তুরস্ক ফল, শাকসবজি এবং বাদাম সহ কৃষি পণ্যের একটি প্রধান রপ্তানিকারক। পর্যটন সহ পরিষেবা খাত অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদানকারী এবং সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তুরস্ক এই খাতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, তুরস্ক উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, উচ্চ মাত্রার ঋণ এবং একটি বড় বাণিজ্য ঘাটতি সহ কিছু অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। উপরন্তু, প্রতিবেশী দেশগুলির সাথে উত্তেজনা এবং দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ সহ কিছু রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যাইহোক, তুরস্ক এই অঞ্চলে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসাবে অব্যাহত রয়েছে এবং এই চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

তুরস্ক কে কেন ইউরোপের রুগ্ন ব্যক্তি বলা হয়

ইতিহাস দেখলে জানা যায় যে, তুরষ্ক ছিল বিভিন্ন সাম্রাজ্যের আবাস্থল ৷ এদের মধ্যে রয়েছে হিট্টাইটস, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য এবং অটোমান সাম্রাজ্য ৷ তখন সাম্রজ্যগুলো ছিল খুবই শক্তিশালী ৷ ধীরে ধীরে অটোমান সাম্রাজ্যসহ অন্যান্য সাম্রাজ্যগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে ৷ এজন্য ইউরোপীয়ানরা ব্যাঙ্গ করে তুরষ্ককে ইউরোপের রুগ্ন মানুষ লে থাকে।